নৈশ‍্য ভোজ উফ! খুবই মজা

0
লেখাটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন
  • 10
    Shares

আম্মুর হাতের পোলাও, বেগুন ভাজা, ড়িম ভাজা , পটল ভাজা, ইলিশ ভাজা, কাতলা কারি, চিংড়ি, ড়িমের কারি, সরষে ইলিশ, দুই রকমের মাংস।

পোলাও রান্না করতে প্রথমে নারিকেলের খোসা ছাড়িয়ে শক্ত আবরণ দুই ভাগে বিভক্ত করে কুর্নির সাহায্যে নারকেল কুরে নেওয়া হতো। এই কোরানো নারকেলের সাথে সামান্য জল মিশিয়ে ভালো করে হাত দিয়ে ডলে চটকানো হয়। ফলে নারকেলের চর্বি পানির সংগে মিশে দুধের আকার ধারণ করে। নারকেলের দুধ দিয়ে পোলাও, ডিমের কোর্মা, পিঠা, ইলিশ মাছ, মাংস রান্নার প্রচলন বহু পুরোনো। রূপচর্চার জন্য নারকেলের দুধ ব্যবহার করা হয়।

ঘরের যেকোনো চালেই পোলাও হতো আমাদের বাড়িতে। পোলাওয়ের চাল ভিজিয়ে ছেঁকে রাখা হতো। হাঁড়িতে নারকেলের দুধ, গরম মসলা, তেজপাতা, চিনি ও লবণ দিয়ে ফুটিয়ে চালগুলো ঢেলে নেড়েচেড়ে ঢেকে দেওয়া হতো। চাল ফুটে উঠলে এবং জল শুকিয়ে আসার পর জাফরানি রঙ মেশানো হতো। রঙ এমন ভাবে মেশানো হতো যাতে অর্ধেক পোলাও সাদা আর অর্ধেক জাফরানি। সাপ্তাহিক বাজার করার সময় এই রঙ কেনা নিয়ে মা বার বার সতর্ক করে দিতো। গাই এর ছবিওয়ালা জাফরানি রঙই কিনে আনতে হবে। পোলাওয়ের সাথে থাকতো মিহি আলু ভাজা, ছোট মাছ ভাজা, নারকেলের দুধ দিয়ে বানানো ডিমের কোর্মা, দেশী মুরগির ঝোল। লিখতে লিখতে আমার মুখে জল চলে এলো।

 

“বহুদিন ধরে বহু পথ ঘুরে বহু ব্যয় করে বহুদেশ ঘুরে,
দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু,
দেখা হয়নাই চক্ষু মেলিয়া ঘর হৈতে শুধু দুপা ফেলিয়া
একটি ধানের শীষের উপর একটি শিশির বিন্দু”


লেখাটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন
  • 10
    Shares

★আপনার মূল্যবান মন্তব্য দিয়ে আমাদের পথ চলা ধারাকে অব্যাহত রাখুন★

★ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে কমেন্ট করুন★

Leave A Reply