ধর্মের নামে খুনসুটি

10
Share it, if you like it

চলুন আমার রাজনীতির নামে আর ধর্মের নামে খুনসুটি তে মাতি,
মজা লুটুক বিজয় মাল লিয়া আর নীরব মোহ দি।

ব্যাস্ত থাকি আঁধার কার্ড লিংক করার লাইনে,
আর চুপিসাড়ে কেটে যাক টাকা ব্যাংকে লো ব্যালান্স ফাইনে।

গেরুয়া আর সবুজ রং পেন্সিল বলছে, “থাকবো না এক সাথে”
চিত্রকার মহাশয় পড়েছেন কি ভীষণ মহা সমস্যাতে।

ফলের দোকানের খেজুর খুব চিন্তায়। বুঝতে পারছে না, কোন বাড়ি সে যাবে?
সে কি পূজার প্রাসাদ? নাকি রোজার ইফতার হবে?

সাদা সুতোর উপরে অধীকার কার? আতর লাগানো সাদা পাঞ্জাবীটার?
নাকি টোপরের সাথে ম্যাচিং করেছে যে গিলে করা কুর্তার?

রেওয়াজি খাসী কেটেছে মিঞা ভাই, তা খেলে কি জাত যাবে?
আবার মুরগির দোকানা তো অবিনাশ কুন্ডু।
আড়াই পোঁচে কি কেটেছে মুরগির মুণ্ডু?

সেলিব্রেসনে বিরিয়ানী চাই! একটি আলু কি extra পাওয়া যাবে ভাই?
গন্ধ থাক শুধু মিঠা আতরের, এখানে সাম্প্রদিকতার স্থান নাই।

হেন-শ্রী, তেন-শ্রী। “শ্রী” শব্দ তো সাম্প্রদায়িক।
নেওয়ার সময় অত ভাবিনা মশাই, আমরা তখন সুবোধ আর অমাইক।

গোঁফ দাঁড়ি, আজকাল বড় বাড়াবাড়ি, গোঁফ দিয়ে যাবে চেনা।
গোঁফের কি দোষ বলুন? কারো কারো তো গোঁফই ওঠে না।

ইংরেজ কে বেশি কাঠি করতো যে বাঙালি, মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হলো সেই বাংলার।
fevicol ও জুড়তে পারলো না, এত বছরের স্বাধীনতার পর।

Image courtesy: https://www.news18.com/news/india/cartoon-5-730824.html

আমার নিঃশব্দ কল্পনায় দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি, আমার জীবনের
স্মৃতি, ঘটনা, আমার চারপাশের ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে লেখার চেষ্টা করি। প্রতিটি মানুষেরই ঘন কালো মেঘে ডাকা কিছু মুহূর্ত থাকে, থাকে অনেক প্রিয় মুহূর্ত এবং একান্তই নিজস্ব কিছু ভাবনা, স্বপ্ন। প্রিয় মুহূর্ত গুলো ফিরে ফিরে আসুক, মেঘে ডাকা মুহূর্ত গুলো বৃষ্টির সাথে ঝরে পড়ুক। একান্ত নিজস্ব ভাবনা গুলো একদিন জীবন্ত হয়ে উঠবে সেই প্রতীক্ষাই থাকি।

অন্যান্য লেখা

10 Comments

Leave A Reply