হৃদরোগ সম্পর্কে ডক্টর দেবি শেঠির কিছু বিশেষ পরামর্শ

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

হৃদরোগ সম্পর্কে ডক্টর দেবি শেঠির কিছু বিশেষ পরামর্শ


বর্তমানে হৃদরোগের সমস্যা জেঁকে বসেছে মানুষের শরীরে। বয়সের তারতম্য না বেছেই হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। তাই হৃদরোগ এড়ানো নিয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন ভারতে অন্যতম বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডক্টর দেবি শেঠি। ভারতের কর্নাটক রাজ্যের ব্যাঙ্গালোরে তাঁর নারায়না হৃদয়ালয় একটি বিশেষ হার্ট চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে স্থান পেয়েছে।

আসুন দেখে নিই হৃদরোগ সম্পর্কে কিছু পরামর্শ –

১. হৃদরোগ সচেতনে সাধারন মানুষের করনীয় বিষয় কি কি?
উত্তর- হৃদরোগের সবথেকে ভয়ঙ্কর কারণ খাবার। অতিরিক্ত চর্বি ও শর্করা জাতীয় খাবার হৃরদোগ সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই এই ধরনের খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।

২. হৃদরোগের মোক্ষম দাওয়াই হল হাঁটা। প্রতিদিন আধঘন্টা করে হাঁটলে হৃদরোগ অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

৩. ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। কারণ ধূমপানের ফলেই কাশি বেড়ে যায় যা হার্টের রোগের সম্ভবনা বাড়িয়ে দেয়।

৪. আমিষ জাতীয় খাবার কি হৃদয্ন্ত্রের জন্য উপকারী?

উত্তর- আমিষ জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চললে হৃদরোগের প্রকোপ কমতে সাহায্য করে।

৫. সুস্থ মানুষের কিভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হন?

উত্তর- সুস্থ মানুষের হার্ট অ্যাটাককে নীরব আক্রান্ত বলে। তবে মানসিক চিন্তা থেকেই সুস্থ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হন।

৬. হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ কমাতে কি করনীয়?

উত্তর- হাঁটা-চলা সহ জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সাবধানে থাকতে হবে। এবং লক্ষ্য করতে হবে কোন জিনিসের জন্য হৃদযন্ত্রের উপর চাপ বাড়ছে।

৭. অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস হৃদযন্ত্রের সম্ভাবনা বাড়ায়?

উত্তর- অনেকাংশেই বলা যেতে পারে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে মানুষ জাঙ্ক ফুডে দিকে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। ফলে হজমের সম্যায় ভুগতে শুরু করে।

৮. হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে উপকারী খাবার কি কি?

উত্তর- টাটকা ফল, শবজি। সাধারন তেলের বদলে সূর্যমুখী তেল। তেলজাতীয় খাবরের বদলে সিদ্ধ খাবার ইত্যাদি।

৯. হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক চিকিৎসা কি?

উত্তর- সাধারনত হার্ট অ্যাটাকের প্রথম এক ঘন্টা খুবই বিপজ্জনক। বিপদের সম্ভাবনা বেশি থাকে । তাই প্রথমে রোগীকে শুইয়ে জিভের নীচে এ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখতে হবে। কারণ এটি বিপদের সম্ভাবনা হ্রাস করে। শীঘ্রই হাসপাতলে নিয়ে যেতে হবে।

১০. হৃদরোগের সম্ভাবনা এড়াতে কি কি করনীয়?

উত্তর- ত্রিশ বছরের পরে প্রতিমাসে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা সকরলেরই দরকার। স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমেই রোগ নির্নয় সম্ভব।

Source:
 http://blog.vivekanandan.in/2011/06/drdevi-shettys-advice-to-software.html
 http://www.coolhealthtips.com/important-tips-for-heart-by-dr-devi-shettyheart-specialist.html
আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেন
Share.

About Author

আমার নিঃশব্দ কল্পনায় দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি, আমার জীবনের ঘটনা, আমার চারপাশের ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে লেখার চেষ্টা করি। প্রতিটি মানুষেরই ঘন কালো মেঘে ডাকা কিছু মুহূর্ত থাকে, থাকে অনেক প্রিয় মুহূর্ত এবং একান্তই নিজস্ব কিছু ভাবনা, স্বপ্ন। প্রিয় মুহূর্ত গুলো ফিরে ফিরে আসুক, মেঘে ডাকা মুহূর্ত গুলো বৃষ্টির সাথে ঝরে পড়ুক। একান্ত নিজস্ব ভাবনা গুলো একদিন জীবন্ত হয়ে উঠবে সেই প্রতীক্ষাই থাকি।

Leave A Reply