দুপুরের আপিসে কি কি খাওয়া উচিৎ

0
Share it, if you like it

সাদা ভাত: অনেকেই দুপুরে ভাত না খেয়ে থাকতে পারেন না। আবার কারও কারও দুপুরে ভাতের বদলে অন্য কিছু খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। যাঁরা দুপুরে ভাত ছাড়া অন্য কিছু খেতে পারেন না, তাঁরা অফিসে ভাত অল্প খেতে পারেন। ভাতের সঙ্গে সবজি, মুরগির মাংস কিংবা মাছ খেতে পারেন।

রুটি-সবজি: অফিসের জন্য আরেকটি সুবিধাজনক খাবার হলো রুটি-সবজি। বানাতে খুব বেশি সময়ও লাগে না। ডিম-সবজি হলে ভালো, এতে পুষ্টিমান ঠিক থাকে। এ ছাড়া শুকনা খাবার হওয়ায় খেতে খুব বেশি ঝক্কি-ঝামেলাও পোহাতে হয় না। তেমন তেল-মসলা নেই। তাই খাবারের ঘ্রাণে সহকর্মীদেরও সমস্যা হয় না।

নুডলস/ পাস্তা/ চাওমিন: অফিসে দুপুরের খাবারে নুডলস খেতে পারেন। খুব অল্প সময়ে সকালবেলাই রান্না করা যায় এটি। নুডলস-জাতীয় পাস্তা ও চাওমিন নিতে পারেন অফিসে। নুডলস, পাস্তা কিংবা চাওমিনকে পুষ্টিকর করে তোলার জন্য সবজি, মাংস, ডিম ইত্যাদি দিয়ে রান্না করুন। এতে স্বাদও বাড়বে, পুষ্টির অভাবও হবে না।

স্যান্ডউইচ: অফিসে সহজেই খাওয়া যায়, এমন একটি খাবার হলো স্যান্ডউইচ। এটা বানানো খুব সোজা। নিজের স্বাদ ও পছন্দমতো ডিম, মুরগির মাংস কিংবা সবজি দিয়েও স্যান্ডউইচ বানিয়ে নিতে পারেন। সঙ্গে তাজা লেটুসপাতা, শসা, টমেটো ইত্যাদি যোগ করে একে আরও পুষ্টিকর করা যেতে পারে।

সালাদ: যাঁরা ওজন নিয়ে সমস্যায় আছেন কিংবা সালাদ খেতে ভালোবাসেন, তাঁরা অফিসের খাবারে সালাদের পরিমাণ বেশি রাখতে পারেন। অফিসের খাবারে ভাত, রুটি, নুডলস, ডাল—যা-ই খান না কেন, প্রতিদিনের খাবারে চেষ্টা করবেন সালাদের গুরুত্বটা দিতে। সবজি ফলমূল দিয়ে তৈরি সালাদ আপনি ভাত বা রুটির চেয়ে একটু বেশি পরিমাণে খাবেন।

অন্যান্য: দুপুরে যাঁরা ভারী খাবার উপেক্ষা করতে চান, তাঁরা আপেল, কমলা, নাশপাতি ইত্যাদি ফল খেতে পারেন। বাসায় তৈরি সবজির স্যুপও খেতে পারেন। আঁশযুক্ত এই সবজি সারা দিনে যে পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল প্রয়োজন, তা পূরণ করে দেবে।
এ ছাড়া ডেজার্ট যেমন কেক, পুডিং, নানা রকম ফলের মিশ্রণে দই দিয়ে তৈরি অফিসে দুপুরের খাবারে খুব সহজেই খেতে পারেন।

কিছু সতর্কতা
১) অফিসে দুপুরের খাবার হিসেবে ভাজা-পোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
২) অফিসে শুঁটকি-জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত নয়। কারণ, এর ঘ্রাণ অনেকেই সহ্য করতে পারেন না। তাই সহকর্মীদের অসুবিধা হতে পারে।
৩) ফল হিসেবে কাঁঠাল অফিসে না আনাই ভালো। কারণ, অনেকেই এর গন্ধ পছন্দ করেন না।
৪) অফিসে খাওয়ার সময় খাবার ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা উচিত নয়। খাওয়ার সময় টেবিল কিংবা মেঝেতে খাবার পড়লে সেটা নিজেই পরিষ্কার করে ফেলুন।

অজানা লেখক

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এই লেখাটি নেওয়া হয়েছে। এই প্রবন্ধ বা পোষ্ট লেখকের পরিচয় যতটুকু পেয়েছি, লেখার নীচে দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ এই লেখাটির লেখকের সন্ধান বিস্তারিত জেনে থাকেন, দয়া করে অবশ্যই জানাবেন। আমাদের email করুন এই ঠিকানায়, i@pagolerprolap.in অথবা লেখার নীচে কমেন্টে করুন।

অন্যান্য লেখা

Leave A Reply