এই স্বপ্নের দেশে যাওয়া হয়নি

0
লেখাটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন
  • 32
    Shares

অনেকদিন এই স্বপ্নের দেশে যাওয়া হয় নি। অনেকদিন স্বপ্নের রাণীর হাত ধরা হয় নি। মন কেমন করছে।বছর চার আগে কার্শীয়াং থেকে সকালের ট্রয় ট্রেনে উঠেছিলাম দার্জিলিং এর পথে। আজকের মত তখন ট্রয়ট্রেন এত মূল্যবান হয় নি। আমার কেমন মাথায় ভূত চেপেছিল ট্রয়ট্রেন এর উপর ছবি তুলব। হয়ত রাজেশ খান্নার সেই গানটাই মাথার ভিতর ছিল কৈশর থেকে। প্রথম দিন শিলিগুড়ি থেকে এলাম কার্শীয়াং। এই খবরটুকু জানা ছিল ট্রয়ট্রেন সেই সময় শুধু কার্শীয়াং থেকে দার্জীলিং পর্যন্ত চলে। একটা দুপুর গড়িয়ে বিকাল ৩ টে আর একটা সকাল ৭ (টাইম সেই সময় এই রকমই ছিল , একটু আধটু ভুল হতে পারে )। প্রথম দিন বিকালেই একটা অভিজ্ঞতা করে নিতে চাইলাম। ট্রেন কার্শীয়াং থেকে ছাড়বার এক ঘন্টা আগেই আমি একটা গাড়িতে উঠে কিছুটা এগিয়ে গেলাম।

তারপর কিছুপর ড্রাইভার সাহেবকে আবাক করে দিয়ে নেমে পড়লাম। নেমে হাঁটা শুরু করলাম। সে এক দারুণ অভিজ্ঞতা। এমন নির্জন রাস্তায় হাঁটা, আহা ।নির্জন পাহাড়ী রাস্তায় হাঁটছি , ছবি তুলছি । কয়েকজন যেচে আলাপ করল। সে এক আনন্দময় হাঁটা। একসময় ট্রেন আসার আওয়াজ পেলাম। ছবি তুলতে লাগলাম। অল্প সে সময়। ট্রেন এল ,চলে গেল। এই অল্প সময়েই এক মনে রাখার মত। পরদিন সকালে সকাল সকাল আমার সাজ। প্রথম সকালটা কার্শীয়াং এর আশপাশটা ঘুরলাম । ট্রেনের টাইম হতে দ্বিতীয় বগিতে আমি । আর কয়েকজন যাত্রী। প্রথম বগিটা প্রথম শ্রেণী । ভাড়া একটু বেশী । দ্বিতীয় বগির ভাড়া খুব বেশি নয় তখন । খুব সম্ভব ৬০ টাকা হবে। আমার কাছে দ্বিতীয়টা বেশী মূল্যবান। ছবিটা ভাল আসবে ।যাই হোক দারুণ সে সফর। এক করে পার হচ্ছে টুংলু , সোনাদা , ঘুম। ঘুমে একটু বেশি সময় ট্রেন দাঁড়াল। রডোডেনড্রন ফুলের ছবি এই স্টেশেই নেওয়া। বিপদ ঘটল বাতাসিয়া লুপের কাছে। আমার ক্যামেরা একটি । লেন্স দুটি । একটা ১৮-৫৫ আর একটা ৫৫-২৫০। মাঝেমাঝে লেন্স পাল্টাচ্ছি। বাতাসিয়ার কাছে ১৮-৫৫ কাজের। আর ওই সময় ওটা বিদ্রোহ করল। সে এক যন্ত্রণা। বাতাসিয়া লুপে মনের মত ছবি নিতে পারলাম না। এখন ট্রয়ট্রেন যেরকম মূল্যবান জানি না আমার মত ছাপোষা লোকের আর চড়া হবে কিনা। তবু আবার ইচ্ছা আছে এই পথটুকু আবার একবার সফর করার।

ছবি ও লেখা : Sk.Munna

লিখে পাঠাতে চান নিজের অভিজ্ঞতা বা লেখা ? পাঠান এই ইমেল-ঠিকানায়: i@pagolerprolap.in অথবা নিচে কমেন্ট করুন !

আপনার মতামত

About Author

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এই লেখাটি নেওয়া হয়েছে। এই প্রবন্ধ বা পোষ্ট লেখকের পরিচয় যতটুকু পেয়েছি, লেখার নীচে দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ এই লেখাটির লেখকের সন্ধান বিস্তারিত জেনে থাকেন, দয়া করে অবশ্যই জানাবেন। আমাদের email করুন এই ঠিকানায়, i@pagolerprolap.in অথবা লেখার নীচে কমেন্টে করুন। -- সঞ্জয় হুমানিয়া

Leave A Reply