শেষমেশ কম পড়েই যায়, ভালোবাসা

লেখাটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন
  • 19
    Shares

সারাদিন প্রতীক্ষায় বসে থাকি, কখন আসে কখন আসবে, কখন সন্ধ্যা নামবে। এই প্রতীক্ষার এক আলাদা অনুভূতি, এক আলাদা আনন্দ। অন্ধকারের প্রতীক্ষায় হুহু করে যে দিন কাটতো আগে, এখন ঠিক তেমন ভাবে কাটে না। এক একটি ঘন্টা বছরের মতো মনে হয়, এক একটা মিনিট যেন কয়েক মাস। তবুও আধারের প্রতীক্ষায় একা বসে আমি। ভয়ে ঘুমাতে পারি না, শুধু মনে হয় এই বুঝি সন্ধ্যা হয়ে যাবে আর আমি আধার উপভোগ করতে পারবো না, যদি ঘুম না ভাঙ্গে? বছর যায়, মাস যায়, দিন যায়। অবশেষ সন্ধ্যা নামে, মনে আনন্দের জোয়ার উঠতে থাকে, আমি স্থিরতা অনুভব করতে থাকি। কি শান্তি, কি অদ্ভুত এই অন্ধকার।

কিন্তু হঠাৎ করে বৈদ্যতিক আলো জ্বলে ওঠে চারিদিকে। এক একটা আলো যেন এক একটা দৈত্য, দাঁত বার করে আমার দিকে তাকিয়ে হাসে আর বলে, “পারলে না তো আধারের অন্ধকার কে কাছে পেতে? আমরা দেব না তোমায় এই অন্ধকার উপভোগ করতে। বারে বারে, প্রতি সন্ধ্যায় ঝলসে দেবো তোমার চোখ, আমাদের উজ্জ্বল তেজ দিয়ে”।

আমি চোখ বন্ধ করি। শেষমেশ কম পড়েই যায়, ভালোবাসা।

আমার নিঃশব্দ কল্পনায় দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি, আমার জীবনের
স্মৃতি, ঘটনা, আমার চারপাশের ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে লেখার চেষ্টা করি। প্রতিটি মানুষেরই ঘন কালো মেঘে ডাকা কিছু মুহূর্ত থাকে, থাকে অনেক প্রিয় মুহূর্ত এবং একান্তই নিজস্ব কিছু ভাবনা, স্বপ্ন। প্রিয় মুহূর্ত গুলো ফিরে ফিরে আসুক, মেঘে ডাকা মুহূর্ত গুলো বৃষ্টির সাথে ঝরে পড়ুক। একান্ত নিজস্ব ভাবনা গুলো একদিন জীবন্ত হয়ে উঠবে সেই প্রতীক্ষাই থাকি।

★আপনার মূল্যবান মন্তব্য দিয়ে আমাদের পথ চলা ধারাকে অব্যাহত রাখুন★

★ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে কমেন্ট করুন★

Leave A Reply