মৃত্যু একটা বিরাট পরীক্ষা

মৃত্যু একটা বিরাট পরীক্ষা ৷ যেমন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হয় ৷ দিনরাত মনোযোগ সহকারে পাঠ্য বিষয় অধ্যয়ন করতে হয় ৷ সারাবছর ভালমতো পড়াশুনা করলে সহজেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া যাবে ৷ সেইরকম, মৃত্যুও একটি পরীক্ষা ৷ সারাজীবন হরিভজন অনুশীলন করলে সহজেই দেহত্যাগের পর নিত্য পরম আনন্দময় ভগবদ্ধামে উন্নীত হওয়া যায় ৷
যখন কোন শিক্ষার্থী পড়াশুনা ঠিকভাবে করে, তখন পরীক্ষাকক্ষে সে পাঠ্য বিষয় স্মরণ করে খাতায় সহজে লিখতে পারা যায় ৷ তেমনি ঠিকমত কৃষ্ণভজন করলে মৃত্যকালে শ্রীহরি স্মরণ হবে ৷ এইভাবে ভগবদ্ধামে উন্নীত হওয়া যাবে ৷ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন—

অন্তকালে চ মামেব স্মরন্মুক্ত্বা কলেবরম্ ৷
যঃ প্রয়াতি স মদ্ভাবম্ যাতি নাস্ত্যত্র সংশয়ঃ ৷ (গীতা ৮/৫)
অর্থাৎ, “জীবনের অন্তিমকালে আমাকে (শ্রীকৃষ্ণকে) স্মরণ করতে করতে দেহ ত্যাগ করলে সেই জীব আমার (শ্রীকৃষ্ণের) কাছে ফিরে আসবে ৷ এ বিষয়ে কোনও সংশয় নেই ৷”

যে শিক্ষার্থী মনের মধ্যে সর্বদা ছায়াছবি, উপন্যাস, বন্ধুবান্ধবের বাড়ি, সঙ্গীসাথীর কথা চিন্তা করে সে পরীক্ষায় ভাল ফল করতে পারে না ৷ তার পক্ষে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব হয় না ৷ তাকে আগে সেই সব আজেবাজে চিন্তা মন থেকে দূর করে পাঠ্য বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে ৷ তেমনই যে ব্যক্তি এই জড় সংসার সুখ ভোগ চরিতার্থ করার চিন্তায় রত, সে কখনও মৃত্যুর পর শাশ্বতী গতি লাভ করতে পারে না ৷

>>>>নতুন নতুন পোষ্ট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন<<<<

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেন

পাগলের প্রলাপ

আমার নিঃশব্দ কল্পনায় দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি, আমার জীবনের ঘটনা, আমার চারপাশের ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে লেখার চেষ্টা করি। প্রতিটি মানুষেরই ঘন কালো মেঘে ডাকা কিছু মুহূর্ত থাকে, থাকে অনেক প্রিয় মুহূর্ত এবং একান্তই নিজস্ব কিছু ভাবনা, স্বপ্ন। প্রিয় মুহূর্ত গুলো ফিরে ফিরে আসুক, মেঘে ডাকা মুহূর্ত গুলো বৃষ্টির সাথে ঝরে পড়ুক। একান্ত নিজস্ব ভাবনা গুলো একদিন জীবন্ত হয়ে উঠবে সেই প্রতীক্ষাই থাকি।

Create Account



Log In Your Account