★ Great offer only for you ★

মানুষ এর শ্রেণী প্রধানত চার প্রকার, জেনে নিন কি কি!

0
Share it, if you like it

ঈশ্বর সৃষ্ট মানুষ প্রধানত তিন প্রকার। নারী পুরুষ ও কিন্নর। আজ বলবো আমাদের বা আমার কাছে মানুষ এর শ্রেণী প্রধানত চার প্রকার ।

  • ১)সরকারি চাকুরী রত
  • ২)বেসরকারি চাকুরী রত
  • ৩)ব্যবসায়িক
  • ৪)বেকার

এই চার প্রকার মানুষ ব্যতীত এই মুহূর্তে অন্য কোন শ্রেণী সে ভাবে চোখে পড়েনি আমার। আজ বলব এনাদের সম্বন্ধে। ভালো খারাপ মিসিয়েই মানুষ। মানুষের মধ্যে ভালোটা থাকবে, আর খারাপটা থাকবেনা, এমন হলে তাঁরা ঈশ্বরের চেয়ার টানাটানি করতো। তাই স্রষ্টা সৃষ্টির সময় সকোলের ভালোর মধ্যে ফোটা ফোটা খারাপ কিছু মিশিয়ে আচ্ছা করে ঝাকিয়ে দিয়েছেন।

(১)

এবার আসি বিশ্লেষণে, প্রথম এবং অতি মূল্যবান শ্রেণী, সরকারি চাকুরী রত। এনাদের অত্যন্ত পরিশ্রম ও কঠোর মূল্যায়নের মাধ্যমে সরকারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তারপর এই শ্রেণী ভুক্ত হতে হয়। চাকরি পাওয়ার পর থেকেই এনাদের মন কেমন করতে থাকে। কখনও DA কখনও ছুটি, কখনও ইনক্রিমেন্ট নিয়ে এনারা চিত্ত বিচলিত করে থাকেন। তবে এনারা পাত্র এবং পাত্রী হিসেবে অতি মূল্যবান। সে ছেলে বা মেয়ের রূপ যেমনি হোক, তার গুনে(সরকারি চাকুরী) তিনি প্রাপ্ত সম্মানের উচ্চ শিখরে বিদ্যমান থাকেন। চাকরি পাওয়া ও রিটায়ারমেন্ট এর মাঝা মাঝি অর্থাৎ মাঝ বয়সে এনাদের মেজাজ বেশির ভাগ সময় সপ্তমে ও মাধে মাঝে অষ্টম আকাশে চড়ে যায় ঠিক কিন্তু মনের দিক থেকে এনারা ভীষণ সহজ। এনাদের কিছু জন প্রসিদ্ধ উক্তি “এখন লাঞ্চ টাইম”, “পরে আসুন”, ” নতুন ফর্ম নিন”, “এতে হবেনা”, ” যার নামে কাগজ তাকে লাগবে”, “ঘুরে আসুন”, “আজ বড় সাহেব ছুটিতে” ইত্যাদি ইত্যাদি। ভবিষ্যৎ নিয়ে ভীষণ নিশ্চিন্ত এই শ্রেণী ভুক্ত মানুষ তাঁদের সন্তানদের ও প্রচন্ড ভাবে এই শ্রেণী তে আসা এবং লাভ ক্ষতি সম্মন্ধে ছোট থেকেই জানাতে থাকেন। একমাত্র এই শ্রেণীর জামাই রাই শশুর দের অত্যন্ত প্রিয় পাত্র হন। আজীবন সরকার তাদের উপর কি কি অত্যাচার করছে এই গল্পের পেছনে চাপা পড়ে যায় এনাদের সুন্দর বাড়ি গাড়ি ব্যাংক বেলেন্স এর কাহিনী।

SBI ব্যাঙ্কের মেহনতি কর্মচারি নিজের কাজ ছেড়ে লুডু খেলতে ব্যাস্ত

SBI ব্যাঙ্কের মেহনতি কর্মচারি নিজের কাজ ছেড়ে লুডু খেলতে ব্যাস্ত

(২)

এবার আসি দ্বিতীয় শ্রেণীর গল্পে। বেসরকারি চাকুরেদের মনের অবস্থা কবি তার কবিতায় বর্ণনা করে গেছেন। “নদীর এ কুল কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্ব সুখ আমার বিশ্বাস”। বর্তমান কর্মস্থল নিয়ে সর্বক্ষণ অসন্তুষ্ট এই প্রাণীদের অসন্তোষ প্রকাশ এর সময় টুকুও ভগবান (boss) কেড়ে নিতে দ্বিধা বোধ করেননি। নয় ঘন্ঠা অফিস ও যাওয়া আসা নিয়ে মোট এগারো থেকে বারো ঘন্টা অর্থাৎ দিনের বেশির ভাগ সময় ব্যয় করে খালি ঘুমোতে বাড়ি ফেরেন। সপ্তাহে দুদিন ছুটি, কারো কারো একদিন, কিন্তু সে ছুটি যে তিনি পাবেন এমন কোন কথা দেওয়া যাচ্ছেনা। বছরের পর বছর সন্তানরা এই শ্রেণী ভুক্ত বাবাদের না দেখতে পেয়ে হটাৎ দেখলে পাশের বাড়ির কাকু ভেবে ভুল করলেও তাকে দোষ দেওয়া যায়না। অসংখ্য সমস্যা থাকলেও এনাদের জীবন কাটানোর পক্রিয়া ভারী সুন্দর। ঝা চকচকে ফ্লাট, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স, ফরেন টুর সব মিলিয়ে বিশেষ রকম ঈর্ষার দাবি রাখে।

Son: "Mom who is this man who comes every night and disappears in morning?" Mom: "Thank God! You saw him, he is your father, a "Software Engineer"

Son: “Mom who is this man who comes every night and disappears in morning?” Mom: “Thank God! You saw him, he is your father, a “Software Engineer”

(চলতে থাকবে…)

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেন
সুপর্ণা ঘোষ

নিজের কথা লিখতে গেলে গুলিয়ে যায়, বলতে জিভ জড়িয়ে যায়। তবুও নিজের কথা বলতে কার না ভালোলাগে! Visit করুন আমার ব্লগ www.meghbristi.com/about. “মেঘ বৃষ্টি” আসলে আমার ডাইরির পাতা। কিছুটা কল্পনা, কিছুটা ছেলেমানুষি, কিছুটা অভিমান আর অনেকটাই স্মৃতি। ছোটবেলা থেকেই লিখতে ভালো লাগতো, ভাবতে ভালো লাগতো। ডাইরির পাতায় কত আঁকিবুঁকি, কত কাটাকুটি, কত দুষ্টুমি আছে। যতটা সম্ভব “মেঘ বৃষ্টি” তে তুলে ধরলাম।

Share it, if you like it
★Related Posts / articles★

Leave A Reply

★ Great offer only for you ★
★ Great offer only for you ★