ঘুড়ি কঙ্কাল দেখেছিস?

তুই ঘুড়ি ওড়াস?
কি মজা না!
যতক্ষন লাটাই হাতে থাকে, ঘুড়ি কি মজা করে ওড়ে আকাশে, ঘুড়ি কিন্তু নিজের মতো উড়তে ভালোবাসে না।
লাটাই না থাকলে ঘুড়ি কিন্তু উড়ে এত মজা পেতো না, লাটাই এর টান অনুভব করে ঘুড়ি সাইসাই করে উপরে উঠে।
আনন্দে আত্মহারা হয়ে একবার এদিক, একবার ওদিক পাক খায়,কত না মজা তার।
আবার যেই সুতোয় ঢিল পড়লে, ওমনি ঘুড়ির মন খারাপ হয়ে যায়। আকাশের বুকে নিজেকে সামলাতে পারে না।
উড়তে থাকে, কিন্তু হওয়ার স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে দিয়ে।
আবার সুতোয় যখন লাটাই টান দেয়, ওনমি উপরে উঠে আসে সাই সাই করে, আবার সে আনন্দে আত্মহারা।
শেষে কি হয় বলতো?
ভোকাট্টা!!
কথা থেকে নতুন মাঞ্জা দেয়া এক সুতো এসে কেটে দেয়, লাটাই আর ধরে রাখতে পারে না ঘুড়ি কে। ঘুড়িও সামলাতে পারে না ভীষণ ঝড়ে, নিরুপায় হয়ে ঘুড়ি গা এলিয়ে দেয় বাতাসে।
লাটাই আবার নতুন ঘুড়ি পায়।
ভোকাট্টা কোথায় হারিয়ে যায়, হয়তো কোন গাছের মগডালে আটকে গিয়ে ছিড়ে যায়। ডানা ভাঙা পাখির মতো ডানা ঝাপটায়, ছেড়া কাগজ ফর ফর করে আওয়াজ করে।
হওয়া এলেই প্রত্যেক দিন চেষ্টা করে ওড়ার, কিন্তু এর পরে না। ঘুড়ি তো ছিড়ে গিয়েছে।
ডানা ঝাপটে কি হবে?
ঘুড়ি আর উড়তে পারে না নিলে আকাশে।
দিন যায়, রাত যায়, শীত যায়, গ্রীষ্মে যায়, বৃস্টি যায়।
রোদে-বৃষ্টিতে ঘুড়ি আর আজ ঘুড়ি নেই। রোদে জ্বলে রং ফ্যাকাশে, জলে ভিজে ছিড়ে, পড়ে থাকে ঘুড়ি কঙ্কাল।
ঘুড়ি কঙ্কাল দেখেছিস?
ঘুড়ি কঙ্কাল আর উড়তে পাড়ে না।

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেন

পাগলের প্রলাপ

আমার নিঃশব্দ কল্পনায় দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি, আমার জীবনের ঘটনা, আমার চারপাশের ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে লেখার চেষ্টা করি। প্রতিটি মানুষেরই ঘন কালো মেঘে ডাকা কিছু মুহূর্ত থাকে, থাকে অনেক প্রিয় মুহূর্ত এবং একান্তই নিজস্ব কিছু ভাবনা, স্বপ্ন। প্রিয় মুহূর্ত গুলো ফিরে ফিরে আসুক, মেঘে ডাকা মুহূর্ত গুলো বৃষ্টির সাথে ঝরে পড়ুক। একান্ত নিজস্ব ভাবনা গুলো একদিন জীবন্ত হয়ে উঠবে সেই প্রতীক্ষাই থাকি।

Create Account



Log In Your Account