কিভাবে হাগু করবেন? আজ HUG DAY !!

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

যারা পোষ্টের নাম দেখেই ইতিমধ্যেই নাকে গন্ধ পাচ্ছেন , ওয়াক থু ছিঃ ছিঃ করছেন, তার পরেও পড়বেন। কারন আপনিও হাগু করেন। কয়েকদিন আগে ব্লগে একটা পোষ্ট দেখছিলাম, এক লোক তার অফিসে যারা টয়লেট করে পানি ঢালেনা তাদের নাম ব্লগে দিয়ে দিছেন। উনি নাম দিয়েই শুধু ক্ষান্ত হননি, উনি এরপর পানি ঢালেনা এই কথা বলে এক মেয়ের ছবিও ব্লগে দিয়ে দিলেন, উনি আহাম্মক না ইডিয়ট আমি সন্দিহান। তুমি পারলে তারে সামনা সামনি যাইয়া বলোগা তুমি তার ছবি ব্লগে কেন দিবা?? যাই হোক ক্যাচাল করতে এই পোষ্ট দেইনাই। কেন এই হাগু মার্কা পোষ্ট দিলাম তা এইবার কই। আমি ভার্সিটিতে উইঠা হলে থাকা শুরু করলাম, এর আগে বাসাতেই থাকতাম। হলে উইঠা দেখলাম, হাইগা মানুষ পানি ঢালেনা এমন মানুষও আছে।

সকাল বেলা ঘুম থেইকা উইঠা টয়লেটে যাওয়ার আগে ভয়ে দুয়া দুরুদ পড়তে পড়তে যাওয়া লাগে। কারন টয়লেট যাইয়া কি সিন দেখা লাগবে তা আল্লাহ মালুম। ঘুম থেইকা উইঠা গজবের সিন দেখলে সারাটা দিন পেইন যায় রে ভাই। খালি হল বললে ভুল হইবে, বাসা বাড়ি ছাড়া বাকি সব খানের টয়লেটই মানুষ যত্ন নিয়া ব্যবহার করেনা। পানি ঢালার ব্যাপারে এতো কিপটামি কেনো রে ভাই??? বাসা বাড়িতে তুমি পাতিলে হাইগা সারা ঘর ছিটাওগা নো প্রবলেম, কিন্ত যেখানে অনেক মানুষ ব্যবহার করে সেখানে পানি ঢালাটা খুবই জরুরি। অনেকে পানি ঢালে, কিন্ত কাজে লাগেনা। মানে জিনিষ পাতি থাইকাই যায় কমোডে। তুমি কি ফ্যাভিকল মাখাইয়া ভাত খাও?? যে তোমার হাগু কমোড থেকে নড়েনা। পানি ঢালারও কিছু সিষ্টেম আছে, আমি আইজকা পানি ঢালার সিষ্টেমের উপরেই জোর দিমু ইনশাল্লাহ। আমি পর্যবেক্ষন কইরা দেখছি, অতিরিক্ত তাড়াহুড়ায় যারা থাকে তারাই এই অকামটা বেশি করে, আমাদের হলের টয়লেটে খেয়াল কইরা দেখা গেছে, ৩টা হাগাখানা আছে একটা টয়লেটে। টয়লেটে ঢুকার পরে প্রথম যেটা পরে সেটার উপরেই গজব পরে বেশি। দৌড়ের উপর এরা হাগতে আসে, ঠিকমত পানি না ঢাইলাই দৌড়ের উপর দিয়া এরা ভাগে। যাওয়ার আগে একবার কমোডের দিকে তাকাবেন ভাই প্লিজ। রাস্তার কুকুর বিড়ালও কিন্ত হাগার পর বালি দিয়া ঢাইকা দেয় তাদের গু। তাদের কমোড ব্যবহার শিখালে আমার বিশ্বাস ঠিকমতই পানি ব্যবহার করবে তারা। এখন আমার পোষ্টের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন জায়গা এসে পড়েছে—–( আমি এখানে হাই কমোড নিয়া আলোচনা করতেছিনা, আমি লো কমোডের উপরি জোড় দিবো, কারন বাসা বাড়ি আর অফিস আদালত ছাড়া সব খানেই লো কমোড আছে। হাই কমোডে ফ্লাস আছে, এরপরেও যারা ফ্লাস করেনা, তাদের কিছু বইলাই লাভ নাই। তাই হাই কমোড বাদ দিলাম।)) ১*** আশা করবো পানি আনলিমিটেড। মানে কল ছাড়লেই পানি পরবো। এখন আপনি বইসাই বিসমিল্লাহ কইরা দিবেননা, এইটা হইলো আসল কথা। কারন কমোড শুখনা থাকলে আপনি বইসাই ছাইড়া দিলে আটকাইয়া যাইবো, এই লক পরে পানি ঢাইলা নাও ছুটতে পারে। তাই আগে কলটা ছাইড়া দেন, পানি বদনা উপচাইয়া পরতে দেন এক মিনিট। ব্যাস, কমোড ইজ রেডি ফর সেফ ল্যান্ডীং বস। এখন দেখবেন অটো চলে যাচ্ছে আপনার বর্জ্য, আপনাকে হাসিমুখে টাটা দিতে দিতে। আপনি যদি আরো দ্রুত এদের বিদায় করতে চান , ফুল স্পীডে পানি প্রবাহ চালু রাখুন। ইনসাল্লাহ উনারা যত কষাই হোক না কেন, তাদের এলাকা ছেরে যেতেই হবে। এইখানে কেউ পানির অপচয় নিয়া কথা বলবেন না প্লিজ। হাত মুখ গোসল নানা কাজে পানি সেভ করেন, তাও হাইগা পানি ঢালার সময় দয়া কইরা পানির অপচয় মাথায়ও আনবেননা। তবে আপনার বর্জ্য কমোডে যদি না থাকে, তবে মোশ্তফার বিজ গুল্লির মত ফাকা ফায়ার করার দরকার নাই। অনেকে পায়খানে শেষ করে পানি ঢালার পর্ব শুরু করে ( আমি কেমনে জানলাম , তাইনা?? আমি কয়েক জনের লগে কথা কইয়া জানছি, ওকে??) আপনার হাগা যতক্ষন কমোডে থাকবে ততখনই গন্ধ ছড়াইয়া চৌদ্দটা বাজাইয়া ফেলে, হাগা কম্পলিট কইরে যতই পানি ঢালেন গন্ধ যাবেনা। আপনার কাজ হবে যত দ্রুত হাগাখানি কমোডের উপর থেকে সরাইয়া ফেলা যায়। দেখবেন আপনি বের হওয়ার সাথে সাথেও কেউ ঢুকলেও তেমন কোনো গন্ধই পাবেনা। সবাই ভাবতেছে এই ব্যাটা কি সারাদিন হাগা নিয়াই চিন্তা করে নাকি , আমি পচিশ বছর ধইরা হাগামুতা করতেছি , খালি হাগার টাইমটাও যদি হাগা নিয়া চিন্তা করি তাও কতো শত শত ঘন্টা চিন্তা করছি ভাইবা দেখেন। আমার প্রথম কথাই হইলো আপনার হাগু দুনিয়ার আলো বাতাসে আসার সাথেই তাকে সেফটি ট্যাংকে পাঠিয়ে দেন, মায়া করে একে কমোডের গায়ে লাগিয়া রাখবেন না পিলিজ। ২** যাদের আনলিমিটেড পানি নাই, আপনারা এক বদনা আগে ঢেলে নিবেন কিছু ছাড়ার আগেই। আর আগের সিষ্টেম অনুযায়ি পানি ঢেলে আপদ বিদায় করবেন, তবে মিনিমাম আধা বাল্টি পানি বা আরো বেশি পানি লাগবেই। নো ওয়ে ব্রো ৩** এই পয়েন্টটা নিয়া লিখতেই মন চাচ্ছেনা , কিন্ত আমি নিরুপায়। আমি ভাবছিলাম কমোডে বসলে নিশ্চয় সবার মলদ্বার কমোডের সেন্টার বরাবরই থাকে, কিন্ত না। এমন সব পজিশনে মল লেগে থাকে কমোডে যে, আমি যদি শাকিরার হিপস ডণ্ট লাইয়ের তালে তালে নেচে মল ত্যাগ করি তবুও সেখানে মল লাগাতে পারবোনা। তাই হাগতে বসে সেন্টারিং করে নিন, আপনার মলদ্বারের পজিশন আপনিই ভাল জানেন, আপনি সেভাবে বসেন যাতে আশেপাশে গোলা বারুদ ছিটকে না যায়। তবে ডায়রিয়া হইলে কথা ভিন্ন, তখন সেন্টারিং হইবেনা, তখন হইবে ব্রাশ ফায়ার। আপনার শর্ট কোর্স কমপ্লিট , আপনি মনযোগ দিয়ে আমার লেখাটা পড়ে থাকলে আশা করা যায় আপনি সুন্দর ভাবে হাগু করতে পারবেন । সুন্দর ভাবে হাগু করা মানেই হইলো , আপনি যে হাগু করছেন তা কাউকে বুঝতে না দেওয়া। সবাই সুন্দর ভাবে হাগু করবেন এই আশাই আমি করি। বিনামুল্যে এই যে আমি আপনাদের কোর্স করাইলাম , আমি চাই এই কোর্সটা সবাই করুক খালি কোর্সটা করলেই হইবেনা এর যথাযথ ইমপ্লিমেন্ট হইবে এইটাই আমার আশা, আমার মুল কথাগুলা বা আপনাদের আরো ভাল প্রসেস জানা থাকলে আপনারা সবাইকে জানান শেয়ার করুন। কমোডে যেহেতু বসা লাগেই, লজ্জা করার কিছু নাই। সবাই ভাল থাকবেন ।

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেন
Share.

About Author

আমার নিঃশব্দ কল্পনায় দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি, আমার জীবনের ঘটনা, আমার চারপাশের ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে লেখার চেষ্টা করি। প্রতিটি মানুষেরই ঘন কালো মেঘে ডাকা কিছু মুহূর্ত থাকে, থাকে অনেক প্রিয় মুহূর্ত এবং একান্তই নিজস্ব কিছু ভাবনা, স্বপ্ন। প্রিয় মুহূর্ত গুলো ফিরে ফিরে আসুক, মেঘে ডাকা মুহূর্ত গুলো বৃষ্টির সাথে ঝরে পড়ুক। একান্ত নিজস্ব ভাবনা গুলো একদিন জীবন্ত হয়ে উঠবে সেই প্রতীক্ষাই থাকি।

Leave A Reply