আঙুল ফোটানো কতোটুকু নিরাপদ ?

আঙুল ফোটানো কতোটুকু নিরাপদ জানেন?

অনেকেরই আঙুল কিংবা দেহের বিভিন্ন অংশের অস্থিসন্ধি ফোটানো অভ্যাস থাকে। তবে এ অভ্যাস সম্পর্কে অনেকেরই বিস্তারিত জানা নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন আঙুল কিংবা দেহের যে কোনো অস্থিসন্ধি ফোটানো মোটেই উচিত নয়।

আঙুল ফোটানোএ বিষয়ে নিউ ইয়র্ক সিটির স্পেশিয়াল সার্জারি ইন্টিগ্রেটিভ কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসক ড. ক্রিস্টোফার অ্যানসেলমি বলেন, ‘ফুটানো বা নিজেই নিজের দেহের কোনো অস্থিসন্ধি সেলফ-অ্যাডজাস্ট করা যদি অভ্যাস হয়ে যায় তাহলে তা দেহের জন্য ক্ষতিকর।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ জয়েন্টগুলোতে রয়েছে লিগামেন্ট, টেন্ডন ও অন্য সফট টিসুর কাঠামো, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত চাপই এগুলো ভেঙে দিতে পারে।’ অনেকেরই আঙুল ফোটানোর শব্দ পছন্দ। যদিও এটি আঙুল ভেঙে ফেলে না।

আমাদের দেহের অস্থিসন্ধিগুলোতে থাকে তরল পদার্থ ও নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস। এ তরল পদার্থে চাপ প্রয়োগ করা হলে তা গ্যাসগুলো নির্গমণ করে এবং ফুটানোর শব্দটি শোনা যায়। অনেকেরই মেরুদণ্ডের হাড়গুলো ফোটানো অভ্যাস থাকে।

এটিও ক্ষতিকর বলে জানান চিকিৎসকরা। এ কাজটি করলে মেরুদণ্ডের মারাত্মক ক্ষতিও হতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেন

পাগলের প্রলাপ

আমার নিঃশব্দ কল্পনায় দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি, আমার জীবনের ঘটনা, আমার চারপাশের ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে লেখার চেষ্টা করি। প্রতিটি মানুষেরই ঘন কালো মেঘে ডাকা কিছু মুহূর্ত থাকে, থাকে অনেক প্রিয় মুহূর্ত এবং একান্তই নিজস্ব কিছু ভাবনা, স্বপ্ন। প্রিয় মুহূর্ত গুলো ফিরে ফিরে আসুক, মেঘে ডাকা মুহূর্ত গুলো বৃষ্টির সাথে ঝরে পড়ুক। একান্ত নিজস্ব ভাবনা গুলো একদিন জীবন্ত হয়ে উঠবে সেই প্রতীক্ষাই থাকি।

Create Account



Log In Your Account